২০১৫-পরবর্তী উন্নয়ন কর্মসূচি ও জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট বিষয়ক আলোচনা সভা

By on June 30, 2015
BMP Movement 1

২০১৫-এ জাতীয় বাজেট [২০১৫,১৬] ঘোষিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে ১৪ জুন ২০১৫ বিকেল ৩:০০ মিনিটে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন মিলনায়তনে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে ২০১৫পরবর্তী উন্নয়ন কর্মসূচি জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আয়শা খানম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআইডিএস এর রিসার্চ ডিরেক্টর ড.বিনায়ক সেন, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোহী অধ্যাপক শরমিন্দ নিলোর্মী, প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, বিআইডিএস এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ, বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আন্দোলন সম্পাদক কাজী সুফিয়া আখ্তার।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন জুন মাসে ২০১৫ সালের জাতীয় বাজেট ঘোষণা হয়েছে। জেন্ডার সংবেদনশীল জাতীয় বাজেটের দাবিতে কেন্দ্র ও জেলা শাখায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দুই দশক ধরে ধারাবহিকভাবে এই ধরণের আলোচনা সভার আয়োজন করে যাচ্ছে। সহশ্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সময় সীমা ২০১৫ এ শেষ হবে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ তাদের মধ্যে যে পর্যালোচনা করেছে সেখানে কিছুটা সাফল্য থাকলেও অর্জন খুব একটা বেশি নয়। সারা বিশ্বের যে অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী তাদের অবদান উন্নয়ন কর্মসূচিতে না আনায় তার একটি নেতিবাচক ফলাফল সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে যে বৈষম্য বিরাজমান পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করার জন্য সামগ্রিকভাবে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আর্থিক নীতিমালা কি হবে, সম্পদের সুষম বন্টনের ক্ষেত্রে কি ধরনের আইন ও নীতিমালা হবে সেই বিষয়গুলো এখানে বেশি করে আসা দরকার তা হচ্ছে না। আমাদের আকাঙ্খা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন জাতীয় বাজেটে পড়েছে কিনা সেটা আমাদের এখন থেকে দেখতে হবে।

BMP Movement  2

মূল প্রবন্ধে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোহী অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মী বলেন মন্ত্রণালয় ও ডিভিশন সহ জেন্ডার বাজেট মোট ৪১ টি এজেন্সি জমা দিয়েছে। বাজেটে নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কি (মৌলিক বিষয় সমূহ) নিরাপত্তা, চাকুরি (অর্জনমূলক), নারীর অবাধ চলাচল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সম্পদে অভিগম্যতা। জেন্ডার বাজেটে তিনটি উদ্দেশ্য তিনি মোটা দাগে উল্লেখ করেন। ১.নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের সামাজিক মর্যাদাবৃদ্ধি। ২. শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ৩. জেনারেল পাবলিক সেক্টরে নারীর প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা। ২০১১ সালে এক অফিসিয়াল হিসেবে দেখা গেছে ১৫.৪ মিলিয়ন হচ্ছে কৃষক। কিন্তু এখানে নারী কৃষকদের এই সম্পর্কিত কোন তথ্য নেই। সরকারের কাছে যে বিষয়গুলো আমাদের দাবী ছিলো সেগুলোর প্রতিফলন এবার বাজেটে রয়েছে কিন্তু নারী এখানে একভাবে স্বীকৃতি পেলেও সঠিকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে না।  আমাদের বেকার শ্রমগোষ্ঠী নারী ৫.৮। এবারের বাজেটে বলা হয়েছে ডে-কেয়ার সেন্টার, মাতৃত্বকালীন ছুটি, বেতনভাতা এই বিষয়গুলোর নিশ্চয়তা দেয়া হবে। নারীর মূল্য শ্রমবাজার তৈরি করার দিক নির্দেশনা কোথায় আছে তা আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। কৃষিতে ছেলেরা যে জায়গাটি অলাভজনক মনে করে ছেড়ে দিচ্ছে সেখানে নারী আসছে। কাজেই নারীর জন্য যে জায়গাটি অর্থবহ ও উপকারী হবে তা চিহ্নিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা কার্যকরভাবে বাড়াতে হবে। টেকনিক্যাল ও ভকেশনাল শিক্ষায় নারীরা অনেক পিছিয়ে আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট এবার কমেছে। সুপারিশে তিনি আরো বলেন বাজেটত্তোর একটি পর্যালোচনা করে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এর পর্যালোচনা করতে হবে। নারীর সমস্যা মোকাবেলার জন্য যে অঙ্গীকার হচ্ছে এই বরাদ্দকৃত বাজেট যা অঙ্গীকার পূরণ করতে পারছে কিনা তা আমাদের পর্যালোচনা করতে হবে।

BMP Movement  3

বিআইডিএস এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ তার পর্যলোচনায় বলেন ৪১টি মন্ত্রণালয় জেন্ডার বাজেটের সুবিধা পাচ্ছে। জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট চেয়েছিলাম এখানে আমাদের অর্জন এবং কাঙ্খিত ফলাফল কতটুকু পর্যালোচনা করে দেকতে হবে। নারী-পুরুষের সমতা আনয়নের জন্য আমরা জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট বরাদ্দ চেয়েছিলাম। যেমন যোগাযোগের সুবিধার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মহিলাদের জন্য আলাদা টিকিট কাটার ব্যবস্থা করেছিল কিন্তু রেলে চলাচলের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজন, আলাদা টিকেট ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন নাই। নারীর উন্নয়ন নীতির অগ্রগতির জন্য ১০টি মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং রির্পোট করেছে যেসব ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় করা হয় তা কোয়ালিটি সম্পন্ন হয় কিনা দেখতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা বলেন, আমাদের দেখতে হবে জেন্ডার বাজেটে কতটুকু বরাদ্দ দেয়া হয় এবং এর ব্যবহার এবং কার্যকারিতা কতটুকু। বাজেটে বরাদ্দ ও ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু এর কার্যকারিতার দিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে। এবারের বাজেট নারী বান্ধব তবু নারী এক্ষেত্রে কতটুকু উপকৃত হয়েছে? এই বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কি পদক্ষেপ নিয়েছে, কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং বরাদ্দকৃত অর্থ কতটুকু ব্যবহার করা হয়। তা জানার জন্য এসকল ক্ষেত্রে যথাযথ পরিকল্পনার প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। কারিগরি শিক্ষা ও উচ্চতর শিক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখতে হবে। মহিলাদের জন্য পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাড়াতে হবে। উচ্চতর শিক্ষার জন্য মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় বাড়াতে হবে। মাত্র ২৬% নারী কারিগরি শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত। নারীদের জন্য নির্ধারিত বিষয়গুলো বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। মাত্র ১৬০০ থেকে ১৭০০ নারী কর্মজীবী হোস্টেলের আওতাভূক্ত। কর্মজীবী নারীর জন্য এই হোস্টেলের পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

BMP Movement 4

আমাদের অর্জন অনেক মাত্র ৫/৬ বছরে আমরা ৪ টি মন্ত্রণালয় থেকে ৪১টি মন্ত্রণালয়কে জেন্ডার বাজেটের আওতাভূক্ত করতে পেরেছি। কিন্তু সংখ্যা দিয়ে এর পর্যালোচনা করা সম্ভব নয়। আমরা কোন জেন্ডার বাজেট চাইনি জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট চেয়েছি। যে সম্পদ আমরা ব্যয় করছি সেটা কল্যানের জন্য করছি কিনা তা আমাদের বিবেচনায় আনতে হবে। নারীর মবিলিটি, নারীর অর্জন, নারীর নিরাপত্তা ঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা আমাদের পর্যালোচনা করতে হবে। নারী উন্নয়ন নীতির যে অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিলো জেন্ডার বাজেটে আমরা তা দেখতে চাই। প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন আমরা দেখতে চাই।  বরাদ্দ, ব্যবহার এবং কার্যকারিতা এই তিনটি বিষয়ে জেন্ডার বাজেটে থাকা উচিৎ। বরাদ্দ অবশ্যই গুরূত্বপূর্ণ কিন্তু পাশাপাশি অন্য বিষয়গুলোও দেখা দরকার।

বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির বলেন, বাজেট হচ্ছে একটি সমাজের যে রিসোর্স আছে তা জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে সকলের মধ্যে ভাগ করে দেয়া যার প্রভাব নিগৃহীত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের উপর পড়ে। ২০.১০.২০১২ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে বাজেট বিষয়ক একটি আলোচনায় তারা বলেন কয়েকটা মন্ত্রণালয়ে অডিট করতে হবে এবং অডিট থেকে যে ফলাফল আসবে তার ভিত্তিতে পর্যালোচনা করে পরবর্তী বছরে বাজেট তৈরী করা হবে। যতটুকু বরাদ্দই হোক সেই বরাদ্দকৃত বাজেট কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই যারা এগুলো নিয়ে কাজ করে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। নারীদের নির্ভরশীল ভাবতেই তারা বেশি পছন্দ করেন বলে বাজেটেও এই বিষয়গুলোর প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিআইডিএস এর রিসার্চ ডিরেক্টর ড.বিনায়ক সেন বলেন বাংলাদেশে নারীর যে অগ্রগতি হয়েছে তার নির্ণায়ক তিনটি । ১.পাবলিক বাজেটের বরাদ্দ, ২. গ্রোথের কারনে আয় বাড়ছে ৩. নারী আন্দোলন। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে আয় বাড়ছে এই দুটো বিষয় মূল আলোচনায় আসে; কিন্তু তৃতীয় যে বিষয়টি সেটি আলোচনায় আসে না। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে দেখা যায় ভাষা আন্দোলন বা অন্যান্য আন্দোলনের মধ্য দিয়েই প্রথম প্রজন্মের আন্দোলন কর্মীরা বের হয়ে এসেছিল এবং এদের সূদুর প্রসারী ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ইতিহাস দেখলে এখানে নেতৃত্বের বিষয়েও তারই প্রতিফলন দেখা যাবে। প্রতিটি প্রজন্ম সামাজিক আন্দোলন তাদের নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী করে থাকে। গ্রামীণ এলাকায় ৬৫-৭০% মেয়েদের বিয়ে হয় যখন তাদের বয়স থাকে ১৪ থেকে ১৫ বছরের নিচে। বাল্য বিবাহের সাথে জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থার বিধান রাখতে হবে। বাজেটে বরাদ্দ আরো কিছুটা বাড়াতে হবে যা থেকে মাতৃ-মৃত্যু ও শিশুর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। আমাদের এখন ভাবতে হবে কিভাবে আগামী ১০ বছরে মজুরিহীন শ্রম থেকে আমরা মজুরিভিত্তিক শ্রমে প্রবেশ করবো। দুইভাবে এটা করা যায়, যার একটি হচ্ছে মজুরিভিত্তিক শ্রমিক বাড়িয়ে অন্যটি হচ্ছে শ্রমিকের মজুরি বাড়িয়ে। ৪৫% গার্মেন্টস নারী শ্রমিক আগামী এক বছরে ১ কোটিতে পৌছাবে এর ফলে দেখা যাবে নারী শ্রমিকদের লেখাপড়ায় আগ্রহ বাড়ছে। গ্রামীন পুরুষ শহরে অভিগমনের ফলে দেখা যায় যে, নারীকে কৃষি কাজের দায়িত্ব এবং পরিবারের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। সরকারকে বাজেটে হেল্থ ইন্সুরেন্সের জন্য বরাদ্দ বাড়াতে হবে। ভারতে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকার মিলে ভান্ড দিয়ে হেল্থ ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থা করেছে জনগনের জন্য। মাদ্রাসা শিক্ষাকে অর্থকরী করার জন্য টেকনিক্যাল, ভকেশনাল শিক্ষায় অর্ন্তগত করতে হবে। মেয়েদের কারিগরী অর্থকারী দিকে সংযোজন করা যায় কিনা সেটা খেয়াল করতে হবে। বিধবা ভাতা ৩০০ টাকার উর্ধ্বে আনতে হবে। বরাদ্দের বিকেন্দ্রীকরণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন স্থানীয় সরকারের মাঝেও বরাদ্দকৃত এই বাজেট বন্টন করে দিতে হবে। এতদিন আমরা মানবসম্পদকে বিনিয়োগ করেছি কিন্তু আমরা তার প্রতিদান পাচ্ছি কিনা সেটাও পর্যালোচনা করা উচিৎ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন মহিলা পরিষদ গত ১০ বছর ধরে বাজেট বিষয়ে আলোচনা করছে এর থেকে বেশ কিছু সুপারিশ সরকারকে দিয়ে আসছে এর ফলে অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি হয়েছে। প্রাক বাজেটে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন এই বিষয়গুলো দেখার প্রয়োজন আছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সকল ধরণের প্রচেষ্টার মূলে রয়েছে জেন্ডার সমতা আনয়ন। নারী আন্দোলনের কাজের ধারায় সাময়িকভাবে নানা ধরনের নারীর অধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আন্দোলন করে যােচ্ছ। এর ফলে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হলো, সেই সাথে বাজেটে টাকার বরাদ্দ বেড়েছে। পলিসি নির্ধারন করে নারী আন্দোলনকে কাজ করতে হবে। মহিলা পরিষদ লিঙ্গীয় সমতা আনায়নের জন্য উপর থেকে নিচ এবং নিচ থেকে উপর এভাবে কাজ করে থাকে। বাসস্থান, যাতায়াত, ডে-কেয়ার এই বিষয়গুলোতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দৃষ্টি দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। মাদ্রাসা শিক্ষা কারীকুলামে বিজ্ঞান, অংক, ইতিহাস পড়ানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে। কওমী মাদ্রাসায় নারী বান্ধব শিক্ষা করা দরকার।

About mparishad

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>